বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জের, প্রেমিক খুন

এস.কে. বিশ্বাস, নদিয়া: নিজের স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর প্রেম সহ অবৈধ সম্পর্ক! বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি নাকাশিপাড়া থানা এলাকার পাটপুকুর-নল পুকুর এলাকার বাসিন্দা সম্রাট শেখ।বন্ধুদের সঙ্গে শলাপরামর্শ সহ যোগসাজশে গত রবিবার বিকেল ৫ টা নাগাদ অভিযুক্ত বন্ধু হাবিব শেখ কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে খুনের অভিযোগে এখন শ্রীঘরে সম্রাট শেখ সহ তার আরও দুই বন্ধু চাঁদের আলো বৈদ্য ও তুফান কর্মকার। মৃত হাবিব শেখের স্ত্রী কহেরা বিবি ও মা মমতাজ খাতুনের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্ৰেফতারের পর পুলিশি জেরার স্বীকার করে এখন শ্রীঘরে অভিযুক্তরা। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযোগে প্রকাশ, হাবিব শেখের সঙ্গে বন্ধু সম্রাট শেখের স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের খবর চাউর হতেই পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে।বিষয়টি নিয়ে উভয় পরিবারে মাঝেমধ্যে অশান্তি আঁচ ও পাওয়া যাচ্ছিল বলে এলাকাবাসীদের অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছু দিন যাবৎ মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকা সম্রাট বিষয়টি নিয়ে তার কাছের বন্ধুদের কাছে উষ্মা প্রকাশ ও করে। অবশেষে গত রবিবার তিন বন্ধুর যোগসাজশে বিকেল পাঁচটা নাগাদ হাবিব কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় সম্রাট,তার পর দীর্ঘ সময় অতিক্রম হওয়া সত্বেও হাবিব বাড়িতে না ফেরায় চিন্তিত হয়ে পড়ে হাবিবের স্ত্রী কহেরা বিবি ও তার মা মমতাজ খাতুন,তারা খোঁজাখুঁজি শুরু করেও কোন হদিস পায় নি এবং রাত্রি ৮ টার পর থেকে হাবিবের ফোন বন্ধ হয়ে যায় বলে হাবিবের পরিবারের অভিযোগ। ঘটনায় চিন্তিত হয়ে পরদিন সোমবার নাকাশিপাড়া থানায় হাবিবের নামে একটি মিসিং ডাইরি করে হাবিবের স্ত্রী সহ তার মা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে এবং আবেদনকারীদের অভিযোগের ভিত্তিতে নাকাশিপাড়া থানার পুলিশ বুধবার সম্রাট শেখ সহ তার বন্ধু চাঁদের আলো বৈদ্য কে ডেকে পাঠায়।থানায় একের পর এক জেরার মুখে সম্রাট স্বীকার করে,সে এবং তার বন্ধুরা মিলে হাবিব কে খুন করেছে।এরপর নাকাশিপাড়ার থানার পুলিশ সম্রাট সহ চাঁদের আলো বৈদ্য এবং তাদের বয়ান অনুযায়ী আরো এক বন্ধু তুফান কর্মকার কে গ্ৰেফতার করে।

সাতসকাল ফিচার
সাতসকাল ই-পেপার
সাতসকাল নিউজ
error: Content is protected !!