অবৈধ সম্পর্কের কারণে শাশুড়ি খুন, ধৃত আপন জামাই

কল্যাণ দত্ত (পূর্ব বর্ধমান): শাশুড়িকে খুন করল জামাই আর সেই খুনের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই খুনিকে গ্রেপ্তার করল সংশ্লিষ্ট পুলিশ। বড়সর সাফল্য পেল পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার থানার পুলিশ।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বীরভুমের বোলপুর শহরের মিশন কম্পাউন্ড এলাকার বাসিন্দা লীলা আগরওয়ালের সঙ্গে উক্ত এলাকার বাসিন্দা রাজকুমার আগরওয়ালের বিয়ে হয়েছিল বিগত ২৮ বছর আগে। তাদের একটা পুত্র ও কন্যা সন্তানও আছে। লীলাদেবী বর্ধমানের বাসিন্দা সুদীপ্ত মুখার্জি নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে কয়েক বছর ধরে পরিচারিকার কাজ করত। এরপরে সুদীপ্তবাবুর সঙ্গে লীলাদেবী প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সেই সম্পর্কের কথা সুদীপ্তবাবুর স্ত্রী জানতে পেরে সুদীপ্তর সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করে বাবার বাড়ি চলে যান। এরপরে সুদীপ্ত, লীলাদেবীকে নিয়ে ভাতারের মাহাতা গ্রাম লাগোয়া একটি ভাড়া বাড়িতে ওঠেন। সেখানে তিনি লীলাদেবীকে বছরখানেক আগে বিয়ে করেন, এবং রীতিমতো বসবাস শুরু করেন।

খুনের ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার রাতে মাহাতা গ্রামের ভাড়া বাড়ি থেকে ওই বধুর মৃতদেহ উদ্ধার করে ভাতার থানার পুলিশ। মৃতদেহটির গলায় দাগ লক্ষ্য করে স্থানীয় পুলিশ। এরপর দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী সুদীপ্ত মুখার্জিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। লীলাদেবীর প্রথম পক্ষের স্বামী রাজকুমার আগরওয়ালা মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে বুধবার সন্ধ্যায় ভাতার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর একাধিক বিষয়ে তদন্ত করে ভাতার থানার পুলিশ এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে খুনের কিনারা ধরে ফেলে ভাতার থানার পুলিশ।

ধৃত জামাই পুলিশকে জানিয়েছে, “আমার শাশুড়ি প্রথমে একটি সংসার ভেঙে দ্বিতীয় সংসার করছে এবং আমার সংসারে আমার স্ত্রীর সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিন্ন করার চেষ্টা করছিল। তার জেরেই আমি এই ঘটনা ঘটিয়েছি”।

সাতসকাল ফিচার
সাতসকাল ই-পেপার
সাতসকাল নিউজ
error: Content is protected !!