Migrain Problem: মাইগ্রেন থেকে মুক্তি পেতে কি করবেন?

মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথা ব্যথা। মাথার যে কোনও এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ব্যথা করে। এতে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে, সেগুলো মাথা ব্যথার শুরুতে স্ফীত হয়ে যায়। ফলে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়েই ব্যথা শুরু হয়।

কী খাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে আমাদের মাথা ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনাও। খুব তাড়াতাড়ি খুব ঠান্ডা কিছু খেয়ে ফেললে যেমন মাথা ধরতে পারে, তেমনই অনেকক্ষণ না খেলেও মাথা ধরে আসে। তাই আমাদের খাদ্যভ্যাসের উপরও নির্ভর করে মাইগ্রেনের ব্যথা কতটা কষ্ট দেবে।  কফি খেলে অনেকেরই মাইগ্রেন ট্রিগার করে। কিন্তু অনেক সময় সেই কফিই মাথা ব্যথা কমিয়েও দেয়।

তাই ব্যথা শুরু হলে এক কাপ কালো কফি খেয়ে দেখতে পারেন। শরীর হাইড্রেটেড রাখতে ভেষজ চা খেতেই পারেন। তাতে মাথা ধরার সম্ভাবনা কমে। তা ছাড়াও ‘ইন্টারন্যাশন্যাল জার্নাল অফ প্রিভেন্টিভ মেডিসিন’ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্র অনুযায়ী পিপারমিন্ট-টি খাওয়া সাইনাসের জন্য উপকারী।

তাই মাথা ধরার প্রবণতা কমাতে পিপারমিন্ট-টি খাওয়া শুরু করতে পারেন। অনেক সময় খালি পেটে থাকলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া অর্থাত্‍ রক্তে শর্করা মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে মাথা ধরে যেতে পারে। সেটাই মাইগ্রেনের ব্যথায় পরিণত হতে পারে। এর জন্য সেরা খাবার কলা।

ম্যাগনেশিয়ামের ভরপুর এই ফল খেলে খুব দ্রুত এনার্জি পাবেন এবং মাইগ্রেনের সম্ভাবনাও কমবে।   শরীরে জলের পরিমাণ কমে গেলেও মাথা ব্যথা করে। জল বেশি খেলে মাইগ্রেন অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমে এটা অনেকেরই জানা। তবে শরীর হাইড্রেটেড রাখতে শুধু জল খাওয়াই যথেষ্ট নয়।

সঙ্গে এমন খাবার খেতে হবে যাতে জলের পরিমাণ বেশি। তরমুজের মতো ফলে ৯২ শতাংশ জল থাকে। তাই খিদে পেলে তরমুজ খান। অনেক সময় হজমের গন্ডগোল বা পেটের অন্য সমস্যা থেকে মাথা ধরতে পারে।

এবং সেটাই বেড়ে মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে। তাই মাশরুম, ডিম বা বাদামের মতো খাবার, যাতে প্রচুর পরিমাণে রিবোফ্ল্যাবিন রয়েছে, রাখুন রোজকার খাদ্যতালিকায়। শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব হলে দীর্ঘ মাথা ধরার প্রবণতা বেড়ে যায়। তাই রোজকার খাদ্যতালিকায় এমন খাবার রাখুন, যা থেকে এই অপুষ্টি কম করা সম্ভব। নানা রকম বাদাম খেতে পারেন ঘুম থেকে উঠে।

সাতসকাল ফিচার
সাতসকাল ই-পেপার
সাতসকাল নিউজ
error: Content is protected !!